ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে থাকছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের ভোটে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে ক্যাম্পাসে।
- প্রথম স্তরে দায়িত্বে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি সদস্য ও প্রক্টরিয়াল টিম।
- দ্বিতীয় স্তরে মোতায়েন থাকবে পুলিশ।
- আর তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশমুখে সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে অবস্থান করবে। প্রয়োজনে সেনাসদস্যরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে এবং ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র ঘিরে রাখবেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ডাকসু ও হল সংসদের প্রার্থীদের সঙ্গে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক গোলাম রব্বানীসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা এবং ডাকসু ও হল পর্যায়ের প্রার্থীরা।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ইতিমধ্যে টহল টিম ও গোয়েন্দা শাখাগুলো সক্রিয় রয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে আবাসিক হলে কোনো বহিরাগত থাকতে পারবে না। নিয়মিত টহল দিয়ে এই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
বিশেষ নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের দিন পুরো ক্যাম্পাস সিলগালা থাকবে। বৈধ শিক্ষার্থী, অনুমোদিত সাংবাদিক ও নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের অনুমতি থাকবে না।
ক্যাম্পাসের বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের ভোটদানের সুবিধার্থে বিভিন্ন রুটে বাসের অতিরিক্ত ট্রিপ চালু করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, আর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।