ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে অবস্থান জানিয়েছেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তার প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে। তবে আপাতত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব পালনের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই।
প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রগুলো আবাসিক হলের বাইরে আনা হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী গড়ে আট মিনিটে ভোট দিতে পারবেন। শতভাগ উপস্থিতি হলেও যাতে সবাই ভোট দিতে পারেন, সে জন্য বুথের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
একজন শিক্ষার্থীর সব কটি ভোট দিতে আট মিনিট করে সময় লাগবে। শতভাগ ভোটার উপস্থিত থাকলেও যাতে সবাই ভোট দিতে পারেন, সে অনুপাতে ভোটকেন্দ্রে বুথ স্থাপন করা হবে। সবাই ভোট দিতে পারবেন। কোনো অনিয়ম হবে না। সবাই ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম আশঙ্কা এ মুহূর্তে নেই।
আচরণবিধি–সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ক্যাম্পাসে এ মুহূর্তে কোনো ব্যানার-ফেস্টুন নেই। প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে সব সরিয়ে ফেলা হয়েছে। প্রার্থীরা হ্যান্ডবিল-লিফলেট বিতরণ করতে পারবেন, তাঁরা সেটা করছেনও।
আচরণবিধি–সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের প্রধান অধ্যাপক গোলাম রব্বানী জানান, ক্যাম্পাসে সব ব্যানার–ফেস্টুন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে প্রার্থীরা লিফলেট ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করতে পারবেন। চারুকলায় আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। এর আগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে গানবাজনার অভিযোগে এক প্রার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।
সার্বিকভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।